Best Funny Video - Fahad Is Now Famous

Best Funny Video - Fahad Is Now Famous

বাংলা জোকস বল্টুর নতুন প্রেম



বল্টু নতুন প্রেমে পরছে। তো চান্দু
বল্টুকে বলছে,
চান্দুঃ কিরে, তুই নাকি প্রেম
করছিস?
বল্টুঃ হ্যাঁ.........
চান্দুঃ মেয়েটিকে দেখাবি না........???
বল্টুঃ নিশ্চয়ই, এখনই চল.........
(কিছুদুর যাওয়ার পর, একটা বাড়ির
দু’তলায়
দাঁড়িয়ে থাকা একটা মেয়ে কে দেখিয়ে)
বল্টুঃ ওই যে দেখ বারান্দায়
দাড়িয়ে আছে...
(মেয়েটির দিকে তাকানোর
সঙ্গে সঙ্গে বল্টুকে আর
চান্দুকে সে পায়ের
জুতা দেখালো) চান্দুর মাথা পুরাই
গরম
তাকে জুতা দেখিয়ে লজ্জা দিলো...
চান্দুঃ কেনো, মিথ্যা কথা বললি?
তুই
না বললি মেয়েটি তোকে ভালোবাসে?
মেয়েটি তো তোকে জুতা দেখাইতেছে....
বল্টুঃ তুই বুঝবি না, এই ভাষা কেবল
প্রেমিকরাই বুঝে, ও আমাকে বাটার
(Bata) দোকানের
সামনে দাড়াতে বলছে....
চান্দুঃ আগে প্রেমিকরা,
প্রেমিকার চোখের ভাষা বুঝতো,
আর এখন দেখতাছি তারা জুতার
ভাষাও বুঝে.....

খালি পেটে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত একেবারেই নেবেন না


       
কর্মক্ষেত্রে আপনার নিশ্চয়ই লাঞ্চ করার জন্য একটি বিরতির ব্যবস্থা রয়েছে? এ বিরতির সময়টি কোনোভাবেই যেন মিস না হয় সেজন্য মনোযোগী হতে বলেছেন গবেষকরা। বিশেষ করে আপনার যদি কর্মক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় থাকে তাহলে খাবার কোনোভাবেই বাদ দেওয়া যাবে না। কারণ খালি পেটে সিদ্ধান্ত নিলে তা ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইম।
খালি পেটে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত একেবারেই নেওয়া উচিত নয়। সম্প্রতি এক গবেষণার আলোকে গবেষকরা জানিয়েছেন, খালি পেটে আপনার দেহের হরমোনের মাত্রা পরিবর্তিত হয়ে যায়। এতে রক্তে উচ্চমাত্রায় গ্রেলিনের উপস্থিতি দেখা যায়। ফলে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয় না।
এ বিষয়ে গবেষণা করেছেন সুইডেনের ইউনিভার্সিটি অব গটেনবার্গের গবেষক ক্যারোলিনা স্কিবিকা। তিনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো আমরা নির্ণয় করতে পেরেছি যে, কিভাবে গ্রেলিনের মাত্রা বেড়ে যায় খাবার খাওয়া না হলে। এ কারণে মস্তিষ্ক প্রভাবমুক্তভাব কাজ করতে পারে না এবং ঝোঁকের বশে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।’
এ কারণে ক্ষুধার্ত অবস্থায় সিদ্ধান্ত নিলে তা ভুল হতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা। তবে এ গবেষণাটি ইঁদুরের মস্তিষ্কের ওপর করা হয়েছে। ভবিষ্যতে মানুষের মস্তিষ্কের ওপর এ বিষয়টি অনুসন্ধান করে নিশ্চিত হতে চাইছেন গবেষকরা। তবে সেজন্য আরও কিছুদিন সময়ের প্রয়োজন।
গবেষকরা বলছেন, ঝোঁকের বশে সিদ্ধান্ত নেওয়া মূলত একটি মস্তিষ্কবিষয়ক এবং আচরণগত সমস্যা, যা এক ধরনের অটিজম, ড্রাগ ও খাবারের সমস্যা তৈরি করতে পারে।
এ কারণে গবেষকরা বলছেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য খালি পেট মোটেই ভালো নয়। এতে ভুল সিদ্ধান্ত হতে পারে। তাই গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কিছু অন্তত খেয়ে নিন। এতে আপনার সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়বে।

বজ্রপাত থেকে বাঁচার ১৪টি উপায়

     

বজ্রপাতের সময় খোলা স্থানে কখনোই এভাবে দাঁড়িয়ে থাকা যাবে না।

এ মৌসুমে দেশে বজ্রপাতের সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়। আর বজ্রপাতের কারণে এ সময় জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ লেখায় দেওয়া হলো কয়েকটি উপায়, যা বজ্রপাত থেকে বাঁচতে সহায়ক হবে। এক নিবন্ধে বিষয়টি জানিয়েছে উইকিহাউ।

১. দালান বা পাকা ভবনের নিচে আশ্রয় নিন : ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা বা উঁচু স্থানে থাকা যাবে না। সবচেয়ে ভালো হয় কোনো একটি পাকা দালানের নিচে আশ্রয় নিতে পারলে।

২. উঁচু গাছপালা ও বিদ্যুৎ লাইন থেকে দূরে থাকুন : কোথাও বজ্রপাত হলে উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এসব স্থানে আশ্রয় নেবেন না। খোলা স্থানে বিচ্ছিন্ন একটি যাত্রী ছাউনি, তালগাছ বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে।

৩. জানালা থেকে দূরে থাকুন : বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি থাকবেন না। জানালা বন্ধ রাখুন এবং ঘরের ভেতর থাকুন।

৪. ধাতব বস্তু স্পর্শ করবেন না : বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলো স্পর্শ করেও বহু মানুষ আহত হয়।

৫. বিদ্যুৎচালিত যন্ত্র থেকে সাবধান : বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব যন্ত্রপাতি স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি বন্ধ করা থাকলেও ধরবেন না। বজ্রপাতের আভাষ পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ  বিচ্ছিন্ন করুন। অব্যবহৃত যন্ত্রপাতির প্লাগ আগেই খুলে রাখুন।

৬. গাড়ির ভেতর থাকলে : বজ্রপাতের সময় গাড়ির ভেতরে থাকলে সম্ভব হলে গাড়িটি নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন। গাড়ির ভেতরের ধাতব বস্তু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। গাড়ির কাচেও হাত দেবেন না।

৭. খোলা ও উঁচু জায়গা থেকে সাবধান : এমন কোনো স্থানে যাবেন না, যে স্থানে আপনিই উঁচু। বজ্রপাতের সময় ধানক্ষেত বা বড় মাঠে থাকলে তাড়াতাড়ি নিচু হয়ে যান। বাড়ির ছাদ কিংবা উঁচু কোনো স্থানে থাকলে দ্রুত সেখান থেকে নেমে যান।

৮. পানি থেকে সরুন : বজ্রপাতের সময় আপনি যদি ছোট কোনো পুকুরে সাঁতার কাটেন বা জলাবদ্ধ স্থানে থাকেন তাহলে সেখান থেকে সরে পড়ুন। পানি খুব ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী।

৯. পরস্পর দূরে থাকুন : কয়েকজন মিলে খোলা কোনো স্থানে থাকাকালীন যদি বজ্রপাত শুরু হয় তাহলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে সরে যান। কোনো বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা কক্ষে যান।

১০. নিচু হয়ে বসুন : যদি বজ্রপাত হওয়ার উপক্রম হয় তাহলে কানে আঙুল দিয়ে নিচু হয়ে বসুন। চোখ বন্ধ রাখুন। কিন্তু মাটিয়ে শুয়ে পড়বেন না। মাটিতে শুয়ে পড়লে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

১১. বজ্রপাতের আগ মুহূর্তের লক্ষণ জানুন : আপনার উপরে বা আশপাশে বজ্রপাত হওয়ার আগের মুহূর্তে কয়েকটি লক্ষণে তা বোঝা যেতে পারে। যেমন বিদ্যুতের প্রভাবে আপনার চুল খাড়া হয়ে যাবে, ত্বক শিরশির করবে বা বিদ্যুৎ অনুভূত হবে। এ সময় আশপাশের ধাতব পদার্থ কাঁপতে পারে। অনেকেই এ পরিস্থিতিতে ‘ক্রি ক্রি’ শব্দ পাওয়ার কথা জানান। আপনি যদি এমন পরিস্থিতি অনুভব করতে পারেন তাহলে দ্রুত বজ্রপাত হওয়ার প্রস্তুতি নিন।

১২. রবারের বুট পড়ুন : বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপজ্জনক। এ সময় বিদ্যুৎ অপরিবাহী রাবারের জুতা সবচেয়ে নিরাপদ।

১৩. বাড়ি সুরক্ষিত করুন : আপনার বাড়িকে বজ্রপাত থেকে নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। এজন্য আর্থিং সংযুক্ত রড বাড়িতে স্থাপন করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নিতে হবে। ভুলভাবে স্থাপিত রড বজ্রপাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিতে পারে।

১৪. বজ্রপাতে আহত হলে : বজ্রপাতের সময় আশপাশের মানুষের খবর রাখুন। কেউ আহত হলে বৈদ্যুতিক শকে আহতদের মতো করেই চিকিৎসা করতে হবে। প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসককে ডাকতে হবে বা হাসপাতালে নিতে হবে। একই সঙ্গে এ সময় বজ্রাহত ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃৎস্পন্দন ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এ বিষয়ে প্রাথমিক চিকিৎসায় প্রশিক্ষণ নিয়ে রাখুন।

হার্টের ব্লক দূর করার ঘরোয়া উপায়


       
কাজী ফাহিম / সোনারগাঁ খবর /  মানবদেহে মারাত্মক একটি সমস্যা হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক। চিকিৎসকের ভাষায় একে ‘করোনারি আর্টারি ডিজিজ’ বলে। যাকে আমরা সাধারণত হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক হয়ে যাওয়া বলে থাকি। রোগটি মূলত অতিরিক্ত কোলেস্টোরল এবং ফ্যাটি প্লাকের কারণে হয়ে থাকে। হৃদপিণ্ডের রক্ত প্রবাহী ধমনী সরু হয়ে যাওয়া বা ব্লক হয়ে গেলে পুরো দেহে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা শুরু হয় এবং মস্তিষ্কে রক্তের সঙ্গে অক্সিজেন প্রবাহ কমে আসে। এসব কারণে হার্ট অ্যাটাক হয় যা রোগীর মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
 তাই ধমনী ব্লক হয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে অবহেলা করা উচিত নয় একেবারেই।

হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক থাকার লক্ষণ
হৃদপিণ্ডে বেশি পরিমাণে ব্লক থাকলে বুকে ব্যথা হয়। আস্তে আস্তে ব্যথা বাম হাতে ছড়িয়ে পড়ে। হাঁটার সময়, সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার সময় বুকে ব্যথা হয়, থামলে ব্যথা কমে যায়। দম নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হয়। বুকে জ্বালাপোড়া ও ধড়ফড় করে। গলা, কপাল ও মাথা ঘামে। নিচের দিকে হেলে কিছু করার ও একটু ভারী কিছু বহনের সময় কষ্ট হয়। খাবার হজম না হওয়ার মতো অস্বস্তি লাগে।

হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক কোনো সংক্রামক রোগ নয়। এ রোগ শুধু ওষুধ খেয়ে বা অপারেশন করে ভালো হয় না। ডায়াবেটিস থেকে মুক্তির জন্য যেমন ওষুধের পাশাপাশি কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক দূর করতেও তেমনি মেশিন এবং মেডিসিন ব্যবহারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় খাদ্য ও জীবনচর্চা অবশ্যই মানতে হয়। তাহলে এর থেকে প্রতিকার পাওয়া সম্ভব যায়।

আসুন এবার জেনে নেয়া যাক কী করে মুক্তি মিলবে হৃদপিণ্ডের ব্লক থেকে
একটি পাত্রে এক কাপ লেবুর রস, এক কাপ আদার রস, এক কাপ রসুনের রস, এক কাপ আপেল সিডার ভিনেগার নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে হাল্কা জালে আধা ঘণ্টা ফুটাতে হবে। যেন মিশ্রণটি চার কাপ থেকে তিন কাপে পরিণত হয়। এরপর মিশ্রণটিকে ঠাণ্ডা করতে হবে। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে একটি বোতলে ভরে রাখতে হবে। প্রতিদিন সকালে খাবারের আগে এক চামচ করে খেতে হবে।

এভাবে নিয়মিত খেলে হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক থেকে অনেকটা প্রতিকার পাওয়া সম্ভব।

a