অটোপাস নিয়ে কিছু কথা feat adu vai | Kazi Roman

 


কিভাবে কয়েনবেস একাউন্ট খুলতে হয় ১০০% ফ্রি ভেরিফাইসহ | বাংলা টিউটরিয়াল ২০১৮





কিভাবে কয়েনবেস একাউন্ট খুলতে হয় ১০০% ফ্রি ভেরিফাইসহ | বাংলা টিউটরিয়াল ২০১৮

CryptoTab Browser থেকে Withdraw করলাম | বিশ্বাসযোগ্য একটা সাইট আজই কাজ ...







Watch full Video.

In this Videos I will show you Guyz Payment proof Videos. How to Withdraw.


Teacher vs student trailers | Bangla funny Videos 2k18 | Faltu Brand ��

100 ‍subscribers special |typical bangali friends| Bangla Funny Video 20...

100 ‍subscribers special | trailor | typical bangali friends | Bangla Fu...

Youtuber Notun Version | Bangla Funny Videos 2018 | Faltu Brand

baby ko bass Parody | Bangla Funny videos 2017 | DanceFrndz Ep-3

gangnam Style Parody | Bangla Funny videos 2017 | DanceFrndz Ep-2

World Best Dengerios Place, this Mad people is wins - Amazin people

Best Funny Video - Fahad Is Now Famous

Best Funny Video - Fahad Is Now Famous

বাংলা জোকস বল্টুর নতুন প্রেম



বল্টু নতুন প্রেমে পরছে। তো চান্দু
বল্টুকে বলছে,
চান্দুঃ কিরে, তুই নাকি প্রেম
করছিস?
বল্টুঃ হ্যাঁ.........
চান্দুঃ মেয়েটিকে দেখাবি না........???
বল্টুঃ নিশ্চয়ই, এখনই চল.........
(কিছুদুর যাওয়ার পর, একটা বাড়ির
দু’তলায়
দাঁড়িয়ে থাকা একটা মেয়ে কে দেখিয়ে)
বল্টুঃ ওই যে দেখ বারান্দায়
দাড়িয়ে আছে...
(মেয়েটির দিকে তাকানোর
সঙ্গে সঙ্গে বল্টুকে আর
চান্দুকে সে পায়ের
জুতা দেখালো) চান্দুর মাথা পুরাই
গরম
তাকে জুতা দেখিয়ে লজ্জা দিলো...
চান্দুঃ কেনো, মিথ্যা কথা বললি?
তুই
না বললি মেয়েটি তোকে ভালোবাসে?
মেয়েটি তো তোকে জুতা দেখাইতেছে....
বল্টুঃ তুই বুঝবি না, এই ভাষা কেবল
প্রেমিকরাই বুঝে, ও আমাকে বাটার
(Bata) দোকানের
সামনে দাড়াতে বলছে....
চান্দুঃ আগে প্রেমিকরা,
প্রেমিকার চোখের ভাষা বুঝতো,
আর এখন দেখতাছি তারা জুতার
ভাষাও বুঝে.....

খালি পেটে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত একেবারেই নেবেন না


       
কর্মক্ষেত্রে আপনার নিশ্চয়ই লাঞ্চ করার জন্য একটি বিরতির ব্যবস্থা রয়েছে? এ বিরতির সময়টি কোনোভাবেই যেন মিস না হয় সেজন্য মনোযোগী হতে বলেছেন গবেষকরা। বিশেষ করে আপনার যদি কর্মক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় থাকে তাহলে খাবার কোনোভাবেই বাদ দেওয়া যাবে না। কারণ খালি পেটে সিদ্ধান্ত নিলে তা ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইম।
খালি পেটে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত একেবারেই নেওয়া উচিত নয়। সম্প্রতি এক গবেষণার আলোকে গবেষকরা জানিয়েছেন, খালি পেটে আপনার দেহের হরমোনের মাত্রা পরিবর্তিত হয়ে যায়। এতে রক্তে উচ্চমাত্রায় গ্রেলিনের উপস্থিতি দেখা যায়। ফলে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয় না।
এ বিষয়ে গবেষণা করেছেন সুইডেনের ইউনিভার্সিটি অব গটেনবার্গের গবেষক ক্যারোলিনা স্কিবিকা। তিনি বলেন, ‘প্রথমবারের মতো আমরা নির্ণয় করতে পেরেছি যে, কিভাবে গ্রেলিনের মাত্রা বেড়ে যায় খাবার খাওয়া না হলে। এ কারণে মস্তিষ্ক প্রভাবমুক্তভাব কাজ করতে পারে না এবং ঝোঁকের বশে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।’
এ কারণে ক্ষুধার্ত অবস্থায় সিদ্ধান্ত নিলে তা ভুল হতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা। তবে এ গবেষণাটি ইঁদুরের মস্তিষ্কের ওপর করা হয়েছে। ভবিষ্যতে মানুষের মস্তিষ্কের ওপর এ বিষয়টি অনুসন্ধান করে নিশ্চিত হতে চাইছেন গবেষকরা। তবে সেজন্য আরও কিছুদিন সময়ের প্রয়োজন।
গবেষকরা বলছেন, ঝোঁকের বশে সিদ্ধান্ত নেওয়া মূলত একটি মস্তিষ্কবিষয়ক এবং আচরণগত সমস্যা, যা এক ধরনের অটিজম, ড্রাগ ও খাবারের সমস্যা তৈরি করতে পারে।
এ কারণে গবেষকরা বলছেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য খালি পেট মোটেই ভালো নয়। এতে ভুল সিদ্ধান্ত হতে পারে। তাই গুরুত্বপূর্ণ কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কিছু অন্তত খেয়ে নিন। এতে আপনার সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা বাড়বে।

বজ্রপাত থেকে বাঁচার ১৪টি উপায়

     

বজ্রপাতের সময় খোলা স্থানে কখনোই এভাবে দাঁড়িয়ে থাকা যাবে না।

এ মৌসুমে দেশে বজ্রপাতের সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়। আর বজ্রপাতের কারণে এ সময় জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ লেখায় দেওয়া হলো কয়েকটি উপায়, যা বজ্রপাত থেকে বাঁচতে সহায়ক হবে। এক নিবন্ধে বিষয়টি জানিয়েছে উইকিহাউ।

১. দালান বা পাকা ভবনের নিচে আশ্রয় নিন : ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা বা উঁচু স্থানে থাকা যাবে না। সবচেয়ে ভালো হয় কোনো একটি পাকা দালানের নিচে আশ্রয় নিতে পারলে।

২. উঁচু গাছপালা ও বিদ্যুৎ লাইন থেকে দূরে থাকুন : কোথাও বজ্রপাত হলে উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এসব স্থানে আশ্রয় নেবেন না। খোলা স্থানে বিচ্ছিন্ন একটি যাত্রী ছাউনি, তালগাছ বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে।

৩. জানালা থেকে দূরে থাকুন : বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি থাকবেন না। জানালা বন্ধ রাখুন এবং ঘরের ভেতর থাকুন।

৪. ধাতব বস্তু স্পর্শ করবেন না : বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলো স্পর্শ করেও বহু মানুষ আহত হয়।

৫. বিদ্যুৎচালিত যন্ত্র থেকে সাবধান : বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব যন্ত্রপাতি স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি বন্ধ করা থাকলেও ধরবেন না। বজ্রপাতের আভাষ পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ  বিচ্ছিন্ন করুন। অব্যবহৃত যন্ত্রপাতির প্লাগ আগেই খুলে রাখুন।

৬. গাড়ির ভেতর থাকলে : বজ্রপাতের সময় গাড়ির ভেতরে থাকলে সম্ভব হলে গাড়িটি নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন। গাড়ির ভেতরের ধাতব বস্তু স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। গাড়ির কাচেও হাত দেবেন না।

৭. খোলা ও উঁচু জায়গা থেকে সাবধান : এমন কোনো স্থানে যাবেন না, যে স্থানে আপনিই উঁচু। বজ্রপাতের সময় ধানক্ষেত বা বড় মাঠে থাকলে তাড়াতাড়ি নিচু হয়ে যান। বাড়ির ছাদ কিংবা উঁচু কোনো স্থানে থাকলে দ্রুত সেখান থেকে নেমে যান।

৮. পানি থেকে সরুন : বজ্রপাতের সময় আপনি যদি ছোট কোনো পুকুরে সাঁতার কাটেন বা জলাবদ্ধ স্থানে থাকেন তাহলে সেখান থেকে সরে পড়ুন। পানি খুব ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী।

৯. পরস্পর দূরে থাকুন : কয়েকজন মিলে খোলা কোনো স্থানে থাকাকালীন যদি বজ্রপাত শুরু হয় তাহলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে সরে যান। কোনো বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা কক্ষে যান।

১০. নিচু হয়ে বসুন : যদি বজ্রপাত হওয়ার উপক্রম হয় তাহলে কানে আঙুল দিয়ে নিচু হয়ে বসুন। চোখ বন্ধ রাখুন। কিন্তু মাটিয়ে শুয়ে পড়বেন না। মাটিতে শুয়ে পড়লে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।

১১. বজ্রপাতের আগ মুহূর্তের লক্ষণ জানুন : আপনার উপরে বা আশপাশে বজ্রপাত হওয়ার আগের মুহূর্তে কয়েকটি লক্ষণে তা বোঝা যেতে পারে। যেমন বিদ্যুতের প্রভাবে আপনার চুল খাড়া হয়ে যাবে, ত্বক শিরশির করবে বা বিদ্যুৎ অনুভূত হবে। এ সময় আশপাশের ধাতব পদার্থ কাঁপতে পারে। অনেকেই এ পরিস্থিতিতে ‘ক্রি ক্রি’ শব্দ পাওয়ার কথা জানান। আপনি যদি এমন পরিস্থিতি অনুভব করতে পারেন তাহলে দ্রুত বজ্রপাত হওয়ার প্রস্তুতি নিন।

১২. রবারের বুট পড়ুন : বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপজ্জনক। এ সময় বিদ্যুৎ অপরিবাহী রাবারের জুতা সবচেয়ে নিরাপদ।

১৩. বাড়ি সুরক্ষিত করুন : আপনার বাড়িকে বজ্রপাত থেকে নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। এজন্য আর্থিং সংযুক্ত রড বাড়িতে স্থাপন করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে দক্ষ ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নিতে হবে। ভুলভাবে স্থাপিত রড বজ্রপাতের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দিতে পারে।

১৪. বজ্রপাতে আহত হলে : বজ্রপাতের সময় আশপাশের মানুষের খবর রাখুন। কেউ আহত হলে বৈদ্যুতিক শকে আহতদের মতো করেই চিকিৎসা করতে হবে। প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসককে ডাকতে হবে বা হাসপাতালে নিতে হবে। একই সঙ্গে এ সময় বজ্রাহত ব্যক্তির শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃৎস্পন্দন ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এ বিষয়ে প্রাথমিক চিকিৎসায় প্রশিক্ষণ নিয়ে রাখুন।

হার্টের ব্লক দূর করার ঘরোয়া উপায়


       
কাজী ফাহিম / সোনারগাঁ খবর /  মানবদেহে মারাত্মক একটি সমস্যা হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক। চিকিৎসকের ভাষায় একে ‘করোনারি আর্টারি ডিজিজ’ বলে। যাকে আমরা সাধারণত হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক হয়ে যাওয়া বলে থাকি। রোগটি মূলত অতিরিক্ত কোলেস্টোরল এবং ফ্যাটি প্লাকের কারণে হয়ে থাকে। হৃদপিণ্ডের রক্ত প্রবাহী ধমনী সরু হয়ে যাওয়া বা ব্লক হয়ে গেলে পুরো দেহে রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা শুরু হয় এবং মস্তিষ্কে রক্তের সঙ্গে অক্সিজেন প্রবাহ কমে আসে। এসব কারণে হার্ট অ্যাটাক হয় যা রোগীর মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
 তাই ধমনী ব্লক হয়ে যাওয়ার বিষয়টিকে অবহেলা করা উচিত নয় একেবারেই।

হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক থাকার লক্ষণ
হৃদপিণ্ডে বেশি পরিমাণে ব্লক থাকলে বুকে ব্যথা হয়। আস্তে আস্তে ব্যথা বাম হাতে ছড়িয়ে পড়ে। হাঁটার সময়, সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠার সময় বুকে ব্যথা হয়, থামলে ব্যথা কমে যায়। দম নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হয়। বুকে জ্বালাপোড়া ও ধড়ফড় করে। গলা, কপাল ও মাথা ঘামে। নিচের দিকে হেলে কিছু করার ও একটু ভারী কিছু বহনের সময় কষ্ট হয়। খাবার হজম না হওয়ার মতো অস্বস্তি লাগে।

হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক কোনো সংক্রামক রোগ নয়। এ রোগ শুধু ওষুধ খেয়ে বা অপারেশন করে ভালো হয় না। ডায়াবেটিস থেকে মুক্তির জন্য যেমন ওষুধের পাশাপাশি কিছু নিয়ম মেনে চলতে হয়। হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক দূর করতেও তেমনি মেশিন এবং মেডিসিন ব্যবহারের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় খাদ্য ও জীবনচর্চা অবশ্যই মানতে হয়। তাহলে এর থেকে প্রতিকার পাওয়া সম্ভব যায়।

আসুন এবার জেনে নেয়া যাক কী করে মুক্তি মিলবে হৃদপিণ্ডের ব্লক থেকে
একটি পাত্রে এক কাপ লেবুর রস, এক কাপ আদার রস, এক কাপ রসুনের রস, এক কাপ আপেল সিডার ভিনেগার নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে হাল্কা জালে আধা ঘণ্টা ফুটাতে হবে। যেন মিশ্রণটি চার কাপ থেকে তিন কাপে পরিণত হয়। এরপর মিশ্রণটিকে ঠাণ্ডা করতে হবে। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে একটি বোতলে ভরে রাখতে হবে। প্রতিদিন সকালে খাবারের আগে এক চামচ করে খেতে হবে।

এভাবে নিয়মিত খেলে হৃদপিণ্ডের ধমনী ব্লক থেকে অনেকটা প্রতিকার পাওয়া সম্ভব।

পিজ্জা তৈরি করুন ওভেন ছাড়াই


কাজী ফাহিম / ২৭ ডিসেম্বর ২০১৫ / পিজ্জা, ইটালিয়ান এই খাবারটি যেমন জনপ্রিয় তেমন মজাদার। বাচ্চারা তো বটেই বড়দেরও বেশ পছন্দের খাবার এটি। কিন্তু সবসময় কি আর রেস্টুরেন্টে গিয়ে পিজ্জা খাওয়া হয়? আবার অনেকে বাসায় পিজ্জা তৈরি করতে চায় না ঝামেলার কথা মনে করে। ইস্ট, বেকিং কত ঝামেলা পিজ্জা তৈরিতে! ইস্ট, ওভেন ছাড়াও পিজ্জা তৈরি করা সম্ভব? ফ্রাইপ্যানে চুলাতেই তৈরি করে নিতে পারেন প্যান পিজ্জা। হঠাৎ অতিথি আপ্যায়ন হোক বা বিকেলের নাস্তায় প্যান পিজ্জা তৈরি করতে পারেন যেকোন সময়।
উপকরণ:
ডোয়ের জন্য

    ৩ কাপ ময়দা
    ১ টেবিল চামচ চিনি
    ৩/৪ চা চামচ লবণ
    ১ টেবিল চামচ তেল
    ১/২ চা চামচ বেকিং পাউডার
    ১/৩ চা চামচ বেকিং সোডা
    ৩ টেবিল চামচ টকদই
    ১ কাপ পানি
    শুকনো ময়দা

পুরের জন্য

    পিজ্জা সস
    ১/২ কাপ পেঁয়াজ কুচি
    ১০-১২ টি অলিভ টুকরো
    ১/২ কাপ ক্যাপসিকাম কুচি
    ৩ টেবিল চামচ তেল
    শুকনো লাল মরিচ গুঁড়ো
    ২ কাপ মোজেরোলা চিজ

প্রণালী:

১। প্রথমে ডো তৈরি করার জন্য ময়দা, লবণ,চিনি, বেকিং সোডা, বেকিং পাউডার ভাল করে মিশিয়ে নিন।

২। তারপর ময়দা দুপাশ থেকে ভাগ করে মাঝের অংশটুকু একটু ফাঁকা করে নিন। এবার সেখানে তেল, টকদই এবং পানি দিয়ে মিশিয়ে নিন। প্রয়োজন মত পানি ব্যবহার করুন।

৩। লক্ষ্য রাখবেন ডোটি নরম এবং স্মুথ যেন হয়।

৪। ডোটি ভাল করে মাখানো হয়ে গেলে প্লাস্টিকের কাগজ বা নরম কাপড় দিয়ে ঢেকে ৬ থেকে ৮ ঘন্টা রেখে দিন।

৫। ৮ ঘন্টার পর আপনি দেখবেন ডোটি ফুলে গেছে। এখন ডোটি থেকে ময়দা থেকে লেচী কেটে নিন। ১০ মিনিট এভাবে রেখে দিন।

৬। তিন কাপ ময়দায় ৫টি পিজ্জার ডো বল তৈরি হবে।

৭। এখন একটি ডো বল নিয়ে রুটির মত বেলে নিন।

৮। একটি কাঁটা চামচ দিয়ে রুটির ভিতরে কিছুটা ফাঁকা ফাঁকা রেখে ফুটো করে নিন। এতে রুটিটি ফুলে উঠবে বাইরের পিজ্জার মত।

৯। মাঝারি আঁচে প্যান গরম হয়ে এলে এতে পিজ্জার রুটি দিয়ে দিন।

১০। এভাবে ৫-৬ মিনিট রান্না করুন।

১১। রুটি ফুলে উঠলে ওপাশ উল্টিয়ে দিন।

১২। এখন রুটির উপর পিজ্জা সস, ক্যাপসিকাম, অলিভ অয়েল, পেঁয়াজ কুচি, চিজ দিয়ে দিন।

১৩। এবার অল্প পরিমাণে অলিভ অয়েল দিয়ে দিন।

১৪। তারপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে কয়েক মিনিট রান্না করুন।

১৫। চিজ গলে রুটির চারপাশ বাদামী রং হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন।

১৬। ব্যস তৈরি হয়ে গেল প্যান পিজ্জা।

রেসিপি গরুর মাংসের নতুন জিনজার বিফ তৈরির




 কাজি ফাহিম /সোনারগাঁ খবর   / ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৫ / গরুর মাংস আমরা সেই একই স্বাদ পাই খাবার থেকে। একই ধাঁচের গরুর মাংস খেয়ে নিশ্চয়ই বিরক্তি ধরে গিয়েছে? অনেকেই এই বিরক্তি কাটাতে ছুটছেন রেস্টুরেন্টের দিকে। কিন্তু কেমন হয় যদি ঘরেই খুব সহজে তৈরি করে নেয়া যায় চাইনিজ খাবার তাহলে কেমন হয়? চলুন তাহলে আজকে শিখে নেয়া যাক খুব অল্প সময়ের সুস্বাদু চাইনিজ খাবার জিনজার বিফ তৈরির খুব সহজ রেসিপিটি।
উপকরণ 

- আধা কেজি হাড় ছাড়া গরুর মাংস (লম্বাটে ও চিকন করে কাটা)
- ২ কাপ কর্ণফ্লাওয়ার
- ১/৪ কাপ পানি
- ১ টি ডিম
- ২ টি পেঁয়াজ কুচি
- ২ টেবিল চামচ আদা ছোটো করে কুচি করা
- ২ কোয়া রসুন কুচি
- তেল পরিমাণ মতো
- ২ টেবিল চামচ সয়া সস
- ২ টেবিল চামচ ভিনেগার
- ২ চা চামচ মরিচ কুচি
- ১ চা চামচ চিনি
পদ্ধতি

    - একটি বাটিতে কর্ণফ্লাওয়ার নিয়ে এতে অল্প করে পানি মেশান ও নাড়তে থাকুন। ভালো করে নেড়ে নিন যাতে কর্ণফ্লাওয়ার পানিতে দলা না ধরে এবং ডিম ভেঙ কর্ণফ্লাওয়ারের সাথে মিশিয়ে নিন এবং নাড়তে থাকুন ভালো করে। নেড়ে মিশিয়ে পাতলা ব্যটারের মতো তৈরি করে নিন।
    - ব্যটারে কেটে ধুয়ে রাখা গরুর মাংস দিয়ে দিন। এবং ভালো করে নেড়ে মাংসের ওপর ব্যটারের প্রলেপ তৈরি করে নিন।
    - একটি প্যানে ১ কাপ পরিমাণে তেল দিয়ে গরম করে অল্প করে মাংস ছাড়তে থাকুন। দেখবেন মাংসের খণ্ডগুলো একটির সাথে অপরটি লেগে না থাকে।প্রতিটি আলাদা হবে। এভাবে সবটা মাংস ভেজে নিন এবং কিচেন টিস্যুর উপর রাখুন যাতে তেল শুষে নেয়।
    - এবার প্যানে মাত্র ১ টেবিল চামচ তেল দিয়ে গরম করুন। এতে পেঁয়াজ ও আদা দিয়ে ভালো করে নাড়তে থাকুন। খানিকক্ষণ পর এতে বাকি সব উপকরণ দিয়ে নেড়ে মিশিয়ে নিন। সামান্য পানি দিয়ে রান্না করতে থাকুন। আরও কিছুক্ষণ নেড়ে মাংস দিয়ে দিন।
    - নিজের পছন্দমতো হালকা ঝোল বা শুকনো করে চুলা থেকে নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন দারুণ সুস্বাদু ভিন্ন স্বাদের এই বিফ আইটেম ‘চাইনিজ জিনজার বিফ’।



আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম মজার এই রেসিপি


সোর্চ: bortomanbarta.com

মজা লাগলে নিচে কমেন্ট করুন ।



                                               ধন্যবাদ

new york video - the best country in this world






এক নজর নিউ ইয়র্ক








নিউ কমেডি নাটক দেখুন আর হাসুন-(না দেখলে মিস করবেন)-Bangla Comedy Natok HD, Bangla Funny Natok HD,








ব্রেকআপ - bangla new natok 2015








old vs new - bangla new natok






সিকান্দার বক্স এখন রাঙ্গামাটি

খালি টিপে আর টিপে


সোনারগাঁ খবর ঃ
রফিক খুব অসুস্থ। একদিন
রফিক আর তার বউ পলি
ডাক্তারের কাছে গেছে।
(ডাক্তার আর পলির মধ্যে কথোপকথন)
ডাক্তারঃ আপনার স্বামীর তো লো পেশার, তাকে বেশি বেশি দুধ খাওয়াবেন!!
পলি জবাবেঃ “আমি তো দুধ
খাইতেই দেই, কিন্তু হ্যায়
খালি টিপে আর টিপে!

তিন বন্ধু ও দৈত্য







কাজি ফাহিম / সোনারগাঁ খবর /  ১২ আগস্ট ২০১৫ / ৩ বন্ধু একদিন সাগরে জাহাজে করে ঘুরছিলো । এমন সময় হঠাং সাগরে ঢেউ উঠলো ।কোন রকমে বন্ধু ৩ জন এক অজানা দীপে এসে পৌছুলো । এমন সময় তারা দেখতে পেলো দীপে একটি প্রদিপ পরে আছে। তারা প্রদীপটি হাতে নিয়ে ঘশতেই প্রদীপ থেকে একটি জ্বিন বের হয়ে বল্ল আমি আপনাদের প্রতেএকের একটি করে ইচ্ছা পূরন করব।প্রতেএকে জার জার ইচ্ছার কথা বলুন।
১নং বন্ধু বল্ল :আমার সকল আত্মীয় ইন্ডিয়া থাকে তাই আমি সেখানে চলে যেতে চাই। বলার সাথে সাথে সে ইন্ডিয়া চলে গেলো ।
২নং বন্ধু বল্ল :আমার সকল আত্মীয় বাংলাদেশে থাকে আমি সেখানে চলে যেতে চাই। বলার সাথে সাথে ২য় বন্ধু চলে গেলো তার দেশে।
এবার ৩য় বন্ধুর পালা ।তার ইচ্ছার কথা জানতে চাইলে সে একটু ভেবে উত্তর দিলো :আমার আত্মীয় বলতে কেউ নেই কেবল ঐ ২ বন্ধুই আছে তাই দয়া করে তাদের আমার কাছে ফিরিয়ে দিন।বলার সাথে সাথে দুই বন্ধু আবার দীপে ফিরে আসলো ।

গিটারের তাঁর ছিড়া গেছে



কাজি ফাহিম / সোনারগাঁ খবর /  ১২ আগস্ট ২০১৫ / মাস্টর স্কূল এ পড়াছে কাজী নজরুল এর কবিতা !
মাস্টর : তাপস বলো তো আমদের বাংলায় কেন এত আগুন জলছে ?
তাপস : সার্ আসলে বর্তমানে গেসের দাম ৪টাকা কমছে বলে !
মাস্টর : ভুল ৤ হইছে !
মাস্টর : বলো তো তাপস কবি কেন গান গাইতে পারছেন ণা ?
তাপস : আসলে সার্ কবির গিটারের তাঁর ছিড়া গেছিল তাই কবি গান গাইতে পারছিল না ! !
মাস্টর : না ছেলে বড় হইয়া রক স্টার হইবে ! !

অপারেশন থিয়েটার

কাজি ফাহিম / সোনারগাঁ খবর /  ১২ আগস্ট ২০১৫ /এক মক্কেল দৌড়ে হাঁপাতে হাঁপাতে এসে উকিলের কক্ষে ঢুকে তাঁর সঙ্গে কথা বলছেন—

মক্কেল: উকিল সাহেব, আমি একটু আগে সিনেমা দেখতে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে তো সিনেমা দেখানোর বদলে জ্যান্ত মানুষ কাটা দেখাচ্ছে।

উকিল: তা আপনি সিনেমা দেখার জন্য কোন সিনেমা হলে গিয়েছিলেন, শুনি?

মক্কেল: কেন? সব থিয়েটারেই তো সিনেমা চলে। আমি যে থিয়েটারে গিয়েছিলাম, তার সামনে লেখা ছিল ‘অপারেশন থিয়েটার’।


new york photo


photo


new york photo



new york bridge


background photo


background photo


নতুন রেসিপি পারফেক্ট তেহারি রান্নার


কাজি ফাহিম / সোনারগাঁ খবর /  ১২ আগস্ট ২০১৫ / একেকজন একেকভাবে তেহারি রান্না করেন। তবে হ্যাঁ, অনেকেরই তেহারিতে পারফেক্ট স্বাদটা আসে না। অনেকে আবার অনুসরণ করেন খুবই জটিল রেসিপি। চলুন, আজ জেনে নি আপনার মনের মত পারফেক্ট স্বাদের তেহারি রান্না করার একটি দারুণ সহজ রেসিপি। একদম নতুন রাঁধুনিদেরও এই রেসিপি দেখে রাঁধলে খাবারটি হবে দারুণ সুস্বাদু।
উপকরণ:

গরুর মাংস ১ কেজি,
দই (টক+মিস্টি বা যে কোনো টা) ৫ টে চামচ,
পেঁয়াজ কুচি দেড় কাপ,
আদা বাটা ৩ টেবিল চামচ,
রসুন বাটা ৩ টেবিল চামচ,
পেঁয়াজ বাটা ১ কাপ,
কাঁচা মরিচ বাটা ১ টে চামচ,
সরিষা বাটা ১ টে চামচ,
কাঁচা পেঁপে বাটা ১ টে চামচ,
মরিচ গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ,
ধনে গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ,
জিরা গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ,
কালো গোলমরিচ গুঁড়ো আধা চা চামচ,
তেজপাতা ২টি,
দারচিনি ২ সেমি ৫ টুকরো,
এলাচ ৫টি,
লবঙ্গ ৪টি,
কাঁচামরিচ ১৫ টি মাঝে চিরে নেয়া,
সরিষার তেল ১ কাপ,
সয়াবিন তেল হাফ কাপ,
পোলাওয়ের চাল ১ কেজি,
আলু চৌকো করে কাটা ও ভেজে নেয়া (২ কাপ),
লবণ ১ চা চামচ মাংসের জন্য + ১ চা চামচ পোলাও এর জন্য
গরম পানি ১০ কাপ
প্রণালী:

    -মাংস ছোট টুকরো করে ধুয়ে নিন। ২ টে চামচ করে আদা-রসুন বাটা সহ সমস্ত বাটা ও গুঁড়ো মসলা অর্ধেকটা সরিষার তেল, পুরোটা সয়াবিন তেল এবং দই, লবণ দিয়ে মাংস মাখিয়ে রাখুন। খুব ভালো হয় মাখিয়ে সারা রাত ফ্রিজে রেখে দিতে পারলে।
    -একটা বড় হাঁড়িতে তেল গরম করে অর্ধেকটা করে পেঁয়াজ তেজপাতা ও গরম মসলা সামান্য ভেজে মাংস, লবণ দিন। মাংস কষিয়ে ভুনা করুন।
    -মাংস কষানো হলে অর্ধেকটা গরম পানি দিয়ে ঢেকে দিন যেন মাংস সিদ্ধ হওয়ার পরও বেশ খানিকটা ঝোল থাকে। ঝোল টেনে এলে বাকি অধের্কটা পানি দিন। এ সময় অল্প তেলে আলু ভেজে সেটাও রেডি রাখুন।
    -মাংস সিদ্ধ হয়ে এলে আলু ও ঝোলে দিয়ে দিন এবং মোটামুটি সিদ্ধ করে নিন।
    -এবার পোলাও এর জন্য প্যানে বাকি সরিষার তেল এ পেঁয়াজ কুচি ও বাকি আদা রসুন বাটা ও গরম মসলা দিয়ে কষিয়ে নিন।চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে মসলায় দিন। ২-৩ মিনিট ভাজুন।
    -গন্ধ ছড়ালে রান্না করা মাংস ঝোল সহ চালের ওপর ঢেলে মিশিয়ে দিন। ঝোলের পানিতেই পোলাও রান্না হয়ে যাবে। লবণ দিন। চাল ফুটে গেলে নিচে তাওয়া দিয়ে দমে দিয়ে দিন এবং ওপরে কাঁচামরিচ দিয়ে ঢেকে মৃদু আঁচে ২০ মিনিট রাখুন। চুলা থেকে নামিয়ে রাখুন। ২০-২৫ মিনিট পর ঢাকনা খুলবেন।
    -সালাদ দিয়ে পরিবেশন করুন।

নেহারি তৈরী রেসিপি

 
কাজি ফাহিম / সোনারগাঁ খবর /  ১২ আগস্ট ২০১৫ / নেহারি একটি সুস্বাদু খাবার। সকালে নাস্তায় রুটি দিয়ে নেহারি খাওয়ার মজাই আলাদা। আজকের রেসিপি সুস্বাদু নেহারি।
 
উপকরণ
 
- খাসি / গরুর পায়া ১ কেজি
- পেঁয়াজ রসুন আদা বাটা ২ টেবিল চামচ
- পেঁয়াজ বেরেস্তা দেড় কাপ এলাচ গুঁড়া
- ১ চা চামচ জিরা
- ১ চা চামচ শুকনা মরিচ
- ৩/৪ টা লবঙ্গ
- ৩/৪ টা সয়াবিন তেল
- ২ টেবিল চামচ তেজপাতা
- ৩/৪ টা দারচিনি
- ২ টা রসুন
- ১ টেবিল চামচ আদা মোটা কুচি
- ২ টেবিল চামচ হাড়সহ মাংস
- ১ কেজি ছোট এলাচ গুঁড়া
- আধা চা চামচ কাঁচা মরিচ
- ১০/১২টা তেঁতুলের ঘন রস
- ২ টেবিল চামচ সিরকা
- ৩ টেবিল চামচ লবণ স্বাদমতো
 
পদ্ধতি :
 
লবণ সিরকা দিয়ে হাড় ও মাংস ভিজিয়ে রাখুন ২ ঘণ্টা। ২ ঘণ্টা পর হাড় ও মাংস পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ঝরিয়ে নিন। গরম তেলে হাড় ও মাংস লাল করে ভেজে রাখুন। সেই তেলে পেঁয়াজ রসুন, আদা বাটা, এলাচ, লবঙ্গ,রসুন, জিরা,দারচিনি দিয়ে ২ মিনিট ভাজুন। পেঁয়াজ বেরেস্তা, মাংস, শুকনা মরিচ দিয়ে ভাজুন আরো ২/৩ মিনিট। এবার মাংসতে ৩ কাপ গরম পানি, তেঁতুলের ঘন রস দিয়ে দিন। ঢেকে মৃদু আঁচে ৩/৪ ঘণ্টা রান্না করুন। ২ ঘণ্টা পর লবণ ও কাঁচামরিচ দিন। হাড় থেকে মাংস খুলে খুলে আসবে। ঝোল ঘন থাকবে এবার অল্প তেলে পেঁয়াজ কুচি লাল করে ভেজে ঝোলের ভিতর দিয়ে দিন। পরিবেশন করার আগে কাঁচা মরিচ কুচি, ধনে পাতা ও আদা কুচি দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

শিশুর বৃদ্ধি কমে মাটি খেলে


কাজি ফাহিম / ১২ আগস্ট ২০১৫ /  বাংলাদেশের শিশু স্বাস্থ্যের ওপর এক গবেষণা বলছে, মাটি তুলে মুখে দেয়ার ফলে সে দেশের বহু শিশুর দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যহত হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইসিডিডিআরবি এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্স হপক্নিস বিশ্ববিদ্যালয়ের এক যৌথ গবেষণায় জানা যাচ্ছে, বাংলাদেশের গ্রামীণ শিশুদের মধ্যে মাটি খাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। একে জিওফ্যাগি বলা হয়।

এই গবেষণাকে উদ্ধৃত করে সাইনেটডেভ নামে একটি অনলাইন সাময়িকী বলছে, মাটিতে বহু জীবাণু থাকে এবং এই মাটি খেলে শিশুরা নানা ধরনের অন্ত্রের অসুখে ভোগে।

ছয় থেকে ৩০ মাস বয়সের ২১৬টি শিশুর ওপর নয় মাস ধরে এই সমীক্ষা চালানো হয়। 

জন্স হপক্ন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গবেষক ড. ক্রিস্টিন ম্যারি জর্জ বলছেন, এসব শিশু যেখানে বাস করে এবং খেলাধুলা করে সেখানকার মাটির নমুনা পরীক্ষা করে তারা ইকোলই জীবাণু দেখতে পেয়েছেন।

তিনি বলেন, যেসব শিশু মাটি খায় তাদের মধ্যে অন্ত্রের অসুখের হার বেশি এবং তাদের শরীরের বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা অন্য শিশুদের তুলনায় দ্বিগুণ।

হজ্জ করবেন সংগীতশিল্পী তাহসান


কাজি ফাহিম / ১২ আগস্ট ২০১৫ / জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান রহমান খান পবিত্র হজ পালন করার উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাচ্ছেন । তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ভিসার আবেদনও হয়ে গেছে। ভিসা হয়ে গেলেই বাদবাকি প্রস্তুুতি নেবেন।

হজে যাবেন, এ কারণে আগামী ঈদের কোনো নাটকে অভিনয়ের জন্য দিনক্ষণও দিচ্ছেন না তিনি। অনেকেই তার কাছে চিত্রনাট্য নিয়ে যাচ্ছেন। তাহসান তাদের প্রত্যেককেই জানিয়ে দিচ্ছেন তার হজ্বে যাওয়ার সংবাদ।

তবে হজে তাহসান একাই যাবেন, নাকি তার সঙ্গে স্ত্রী মিথিলাও থাকবেন সেসব নিয়ে কিছুই জানাননি জনপ্রিয় এই শিল্পী। 

ভিন্নধর্মী পিৎজা পরোটা তৈরির সহজ রেসিপি(ভিডিওসহ)



 নানা ধরণের তরকারী দিয়ে বিভিন্ন স্বাদের পরোটা এবং নানা ফ্লেভারের ও বৈচিত্র্যের পিৎজা যে কারো জিভে জল এনে দেবে। কিন্তু কেমন হয় এই দেশী-বিদেশী খাবারের যুগলবন্দী? কেমন হয় যদি একই সাথে পাওয়া যায় পিৎজা ও পরোটার স্বাদ? অবাক হচ্ছেন? তাহলে আজকে রেসিপিটি আপনার জন্যই। চলুন শিখে নেয়া যাক খুবই সুস্বাদু এবং একেবারেই ভিন্নধর্মী ‘পিৎজা পরোটা’ তৈরির খুব সহজ রেসিপিটি।
উপকরণ :

- ২ কাপ ময়দা
- দেড় কাপ মজারেলা চীজ
- আধা কাপ ক্যাপসিকাম
- আধা কাপ পেঁয়াজ কুচি
- ১/৪ কাপ কর্ণ কারনেলস বা সুইট বেবি কর্ণ
- ৮/১০ টি অলিভার
- ইটালিয়ান সিজনিং
- শুকনো মরিচের গুঁড়ো (ইচ্ছা)
- পিৎজা সস
- তেল ভাজার জন্য
- লবণ স্বাদমতো
- পানি পরিমাণমতো
প্রনালী :

    - প্রথমে ময়দাতে পরিমাণমতো লবণ দিয়ে পানি দিয়ে মেখে রুটি/পরোটা বানানোর ডো তৈরি করে নিন। হাতে সামান্য তেল দিয়ে ডো আরও একটু মথে নিয়ে ঢেকে ১৫-২০ মিনিট আলাদা করে রাখুন।
    - এরপর একটি বড় বোলে সস ও তেল বাদে বাদি সব উপকরণ দিয়ে একসাথে ভালো করে মিশিয়ে পুর তৈরি করে আলাদা করে রাখুন।
    - এরপর ডো ছোট অংশে ভাগ করে রুটি তৈরি করে নিন। সাধারণের তুলনায় একটু মোটা করে বড় রুটি বেলে নিন। এবং রুটির উপরে সস ছড়িয়ে দিন।
    - তারপর রুটির অর্ধেকটা অংশে পরিমাণমতো পুর সমান করে দিয়ে বাকি অংশ দিয়ে ঢেকে দিন এবং মুখ ভালো করে আটকে দিন। আপনি চাইলে একেক ধরণের আকারের পরোটা বানাতে পারেন একেক স্বাদের সসও ব্যবহার করতে পারেন (ভিডিও)।
    - এরপর একটি ফ্রাইংপ্যানে পরোটা যেভাবে ভাজেন সেভাবেই তবে একটু বেশী সময় নিয়ে পরোটাগুলো ভেজে তুলে নিন।
    - ব্যস, এবারে পছন্দের সসের সাথে পরিবেশন করুন এবং মজা নিন এই সুস্বাদু পিৎজা পরোটার।



 

চরম জোকস

এক বুড়া বারে গিয়ে মদ গিলতো। আর
মাতাল হয়ে তার গায়ের চাদর
হারিয়ে আসতো।তাই তার বউ
বুড়াকে খুব ঝাড়তো।
একদিন বুড়া ঠিক
করলো আজকে বারে যাওয়ার
আগে গায়ের সাথে চাদরটা খুব টাইট
করে গিট্টু লাগায় নিবে….তাহলে আর
হারাবে না।
রাতের বেলা হেবি করে মাল টাল
খেয়ে বাসায় বুড়া ফিরলো।।
বুড়িকে ঢলতে ঢলতে বলল,
“দেখেছো..আজকে গায়ের চাদর
ঠিকঠাক আছে….
বুড়ি বলল,”তা ঠিক বলেছো,
..
.
,
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
..
.
..
কিন্তু তোমার লুঙ্গি কই???”

হাসের রচনা

চান্দু একবার
বাংলা পরীক্ষা দিতে গেলো!!
পরীক্ষায় সবই কমন শুধু রচনা বাদে!!
রচনা আসছে হাঁস নিয়ে!! কিন্তু চান্দু
বেচারা তো আর এইটা পড়ে নাই!! তবুও
সে চেষ্টা করলো!! আসুন দেখি তার
চেষ্টাটা কেমন হয়েছিলো!!
হাঁস(যেই প্রাণী সারাক্ষণ প্যাঁকপ্যাঁক
করে আর খায়)
আমি হাঁস পছন্দ করি!! আমার বাসার
সবাইও মনে হয় পছন্দ করে!! যদিও
আমাকে বলে না, কিন্তু আমি বুঝি!!
হাঁস পানিতে থাকে!! আমিও
পানি খাই!! আমার পাশের বাসার
আঙ্কেল মদ খায়!!
মদ খুব খারাপ একটা জিনিস!! এইটা কিন্তু
আমি বলি নাই!!
এইটা জ্ঞানী গুণী লোকেরা বলছে!!
আমার একটা লাঠি আছে!!
লাঠি পানিতে সাতার কাটে হাঁস ও
পানিতে সাতার কাটে!! মনে হয়
তারা আপন ভাইবোন!!
হাঁস পানিতে গোসল করে আমিও
পানিতে গোসল করি!! আমার গোসল
করতে মাত্র পাঁচ মিনিট লাগে কিন্ত
হাঁস সারাদিন লাগিয়ে গোসল করে!!
এই জন্য হাঁস দেখতে এত সাদা!! আর
আমার গাঁয়ের রঙটা একটু ময়লা!!
বেশি না,
সামান্য ময়লা!! আমি হাঁস খুব
ভালোবাসি!! হাঁসও আমাকে খুব
ভালোবাসে!!
একটা কথা বলতে ভুলে গেছি!!
হাঁস দেখতে ঠিক আমার বউয়ের মত!!

উপস্থিত বুদ্ধি উপস্থিত বুদ্ধি

একবার সেনাবাহিনীতে নিয়োগের জন্য আই, এস, এস, বি তে এক পরীক্ষার্থী কে মৌখিক পরিক্ষায় (যেখানে মানসিক শক্তি ও উপস্থিত বুদ্ধির পরিক্ষা নেয়া হয়) সেনা কর্মকর্তা প্রশ্ন করলো, “আচ্ছা আমি যদি তোমার বিবাহিত স্ত্রীর সাথে প্রথম রাত কাটাতে চাই তাহলে তোমার কি কোন আপত্তি আছে??”
পরীক্ষার্থী সাথে সাথে উত্তর দিল, “আপনার যদি আপত্তি না থাকে আমারো কোন আপত্তি নেই।। কারন আমি তো আপনার মেয়েকেই বিয়ে করব!!”

যাদু


* হাসতে হাসতে লুঙ্গি খুলে গেলে কিন্তু
আমি দায়ী না*
$ একবার কালু আর লালু
দুজনে
এক দোকানে গেল…….
দোকানে সবাইকে কাজে ব্যাস্ত
দেখে কালু ৩টে চকলেট
পকেটে পুরে নিলো।
দোকানের
বাইরে এসে…..
কালুঃ দেখলি তো…..আমি ৩টে
চকলেট তুলে নিলাম,
অথচ
কেউ
কিছু বুঝতেই
পারলো না।
তুই কখনই
এটা করতে পারবি না।
এটা শুনে লালু খুব
রেগে গিয়ে
বললঃ চল, আমি এর
থেকে কিছু
বেশি তোকে দেখাচ্ছি।
তারা দুজনে আবার
দোকানে গেল,
এবং লালু
দোকানদারকে বললঃ আঙ্কেল,
আপনি কি একটা জাদু
দেখবেন?
দোকানদারঃ ঠিক
আছে দেখাও।
লালুঃ তাহলে এরজন্য
আমাকে ১টা চকলেট
দিন।
দোকানদার
লালুকে ১টা চকলেট
দিল।
লালু
সেটা খেয়ে নিয়ে আর
১টা চাইলো।
দোকানদার আবার
১টা দিল।
লালু
সেটা খেয়ে নিয়ে আবার
১টা
চকলেট চাইলো।
দোকানদার এবারও
তাকে চকলেট
দিতেই লালু
সেটাও খেয়ে ফেললো।
দোকানদারঃ আরে বাছা,
এতে
তোর জাদুটা কোথায় ??
লালুঃ উং…চুং…মুং. ….
এবার,
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
আমার বন্ধুর পকেট
চেক
করুণ,
আপনার ৩টে চকলেট
ফেরত
পেয়ে যাবেন….।।

হেব্বি মান-সম্মান


১ম বন্ধুঃ তোকে মানা করার পরও তুই পাশের বাড়ীর মুরগী চুরি করলি, এখন যে তোকে জুতো দিয়ে মারা হবে। তোর মান-সম্মান কি আর থাকবে???

২য় বন্ধুঃ ইস!!! আমার মান-সম্মান এত কম নাকি যে জুতো দিয়ে দু'চারটে মারলেই চলে যাবে???

নাতনীর বাসর


নাতিনীর বিয়ে হল । নাতনী যাতে বাসর রাতে ভয় না পায় সেজন্য নানী পাশের ঘরে ঘুমাতে গেলেন।

যথারীতি বাসর রাতে নাতনী ও নাত জামাই ঘরে ঢুকল।
কিছুখন পর ... ... ...
মশারী খাটনোর জন্য নাতনী উঠে দাড়াতেই খাটের স্ট্যান্ডের সাথে প্রচন্ড জোরে মাথায় বাড়ি খেয়ে নাতনী বলে উটল ... ... ওও মাথা গেল রে ... ... ...

তখন পাশের রুম থেকে নানী বলে উঠল আল্লাহ আল্লাহ কর। মাথা যখন গেছে বাকিটাও যাবে।

হাঁপানি


বাংলা ক্লাসে শিক্ষক এক ছাত্রকে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন- বলতো "ভাতের অভাব" এটা কি হবে?

ছাত্রটি জবাব দিতে না পারায় শিক্ষক তাকে অনেক বেত্রাঘাত করলেন এবং বললেন "ভাতের অভাব - হাভাত"।


অতঃপর বিজ্ঞান ক্লাসে বিজ্ঞানের শিক্ষক ঐ ছাত্রটিকে জিজ্ঞাসা করলেন পানির অভাবে কি হয়?
তখন ঐ ছাত্রটি ঝটপট করে জবাব দিল, স্যার হাঁপানি হয়।

এক ঘুষিতে নাক ফাটিয়ে দেবো


ডাক্তারঃ ভয়ের কিছু নেই। চট করে আপনার দাঁতটা তুলে নিব।
রোগীঃ না না ডাক্তার সাহেব, আমার ভয় করছে। প্লিজ ডাক্তার সাহেব, আমি জন্ত্রনায় মারাই যাব, বড্ড ভয় করছে।
ডাক্তারঃ ঠিক আছে, আপনি খানিকটা ক্যান্ডি খেয়ে নিন। দেখবেন সাহস বেড়ে গেছে।
রোগীঃ ক্যান্ডি খেয়ে নিলো।
ডাক্তারঃ কি এখন সাহস বেড়েছে তো?
রোগীঃ নিশ্চয়ই বেড়েছে, এখন দেখি কোন শালা আমার দাঁত তুলতে আসে? দাতে হাত লাগাবেন তো এক ঘুষিতে নাক ফাটিয়ে দেবো !!!

বিয়েতে যাচ্ছিলাম । শিক্ষক ও ছাত্র - ১০



রাস্তায় দ্রুত গাড়ি চালানোর কারণে এক তরুণকে পুলিশ অফিসার আটক করেছেন। লোকটার শুধু একটাই কথা, ‘আগে আমার কথা তো শুনুন।’

কিন্তু পুলিশ অফিসারও নাছোড়বান্দা। ‘না, কোনো কথাই শুনব না। জেলের বড় কর্তা না আসা পর্যন্ত তোমাকে কিছুতেই ছাড়া যাবে না।’
ঘণ্টাখানেক পর পুলিশ অফিসার ওই তরুণকে বললেন, ‘তুমি আসলে ভাগ্যবান। আজকে আমাদের বড় স্যারের মেয়ের বিয়ে। তাই আজ তিনি যখন অফিসে আসবেন, তখন তাঁর মেজাজ খুবই ঠান্ডা থাকবে।’
এতক্ষণে কথা বলার সুযোগ পেয়েই তরুণ হাউমাউ করে বলে উঠল, ‘বড় কর্তা এলে আপনার খবর আছে। আমিই তাঁর মেয়ের হবু বর! বিয়েতে যাচ্ছিলাম।’






কে কে আমার পেজ এর লেখক হতে চাও এখানে ক্লিক  করো । আর তুমার মতা মত দাও 

শিক্ষক ও ছাত্র - ০৯

যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে ­­ 
শিক্ষকঃ আমি টেবিলটা ছুয়েছি, টেবিলটা মাটি ছুঁয়েছে, সুতরাং আমি মাটি ছুঁয়েছি । এভাবে একটা যুক্তি দেখাও তো ­। 
(দুজন ছাত্র হাত তুলল) 
১ম ছাত্রঃ যেমন ধরুন স্যার, আপনি মুরগি খেয়েছেন, মুরগি কেঁচো খেয়েছে, সুতরাং আপনি কেঁচো খেয়েছেন। 
২য় ছাত্রঃ আমি আপনাকে ভালবাসি, আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন, সুতরাং আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি। 

শিক্ষক ও ছাত্র - ৮

গরুর রচনা লেখার আগে শিক্ষক অনেক গুলো সূত্র ছাত্রদের বুঝিয়ে বললেন। সবাই তা ঠিকমত বুঝেছে কিনা তা আবার পরখ করে নিচ্ছেন — 

শিক্ষকঃ আচ্ছা তুমি বলতো তোমার পায়ের জুতা কি দিয়ে তৈরী হয় ? 
ছাত্রঃ চামড়া দিয়ে স্যার । 
শিক্ষকঃ চামড়া কোথায় পাওয়া যায় ? 
ছাত্রঃ গরুর গা থেকে । 
শিক্ষকঃ আচ্ছা, এখন বলো দেখি, কোন সে জীব, যে তোমাদের পায়ের জুতো যোগায়, আবার নানা খাবার জিনিস ও সরবরাহ করে ? 
ছাত্রঃ আমার বাবা, স্যার। 

শিক্ষক ও ছাত্র - ৭

শিক্ষকঃ যারা একেবারে নির্বোধ ও গাধা তারা ছাড়া সবাই বসে পড়। 
(সকলে বসে পড়লেও শুধু কিছলু একা দাড়িয়ে আছে ) 
শিক্ষকঃ কিরে কিছলু ক্লাসে তুই একাই তাহলে নির্বোধ ও গাধা ? 
কিছলুঃ না স্যার, আপনি একা দাঁড়িয়ে আছেন, এটা ভাল দেখাচ্ছে না , তাই … 

শিক্ষক ও ছাত্র - ৬

শিক্ষক : মরুভুমির একটা প্রানীর নাম বলো। 
প্রথম ছাত্র : উট। 
শিক্ষক : ঠিক আছে। আরেকজন মরুভুমির আরেকটি প্রানীর নাম বলো। 
দ্বিতীয় ছাত্র : আরেকটি উট। 

শিক্ষক ও ছাত্র -৫



শিক্ষকঃ পরীক্ষায় কখনো নকল কোর না । নকল করতে করতে অভ্যেস হয়ে যাবে। 
ছাত্রঃ না স্যার, আমি চার বছর ধরে সকল পরীক্ষায় নকল করি। কিন্তু এখনো আমার অভ্যাস হয়নি। 

শিক্ষক ও ছাত্র -৪

শিক্ষক : তোকে তো ব্যাকটেরিয়ার চিত্র আঁকতে বলেছিলাম। তুই তো দিলি সাদা কাগজ। কেন? 
ছাত্র : স্যার, আমি তো ব্যাকটেরিয়ার চিত্র এঁকেছি। কিন্তু আপনি তো তা খালি চোখে দেখতে পারবেন না!

শিক্ষক ও ছাত্র -৩

অধ্যাপকঃ আমার হয়তো দেখতে ভুল হয়েছে, কিন্তু মনে হল তুমিই যেন কথা বলছ। 
ছাত্রঃ আপনারই ভুল হয়েছে স্যার, কারণ আমি ঘুমের মধ্যে কথা বলি না। 

শিক্ষক ও ছাত্র -২

ছাত্রঃ স্যার, আমি কেন পরীক্ষা দিয়ে "Unallow" হলাম? 
শিক্ষকঃ এ জন্যেই তুমি "Disallow" হয়েছ। 

শিক্ষকঃ

শিক্ষকঃ বলতো কুকুর মুখের বাইরে জিভটা বের করে রাখে কেন? 
ছাত্রঃ পেছনের লেজটার সঙ্গে ব্যালেন্স রাখতে। 

শিক্ষক ও ছাত্র -১

শিক্ষকঃ আচ্ছা দুধ থেকে ছানা তৈরির একটি সহজ উপায় বল। 
ছাত্রঃ ভীষন সহজ স্যার। গাভীকে তেঁতুল খাওয়ালেই হবে। 

শিক্ষক ও ছাত্র -১

১) শিক্ষকঃ তুমি তিন বছর ধরে একই কাসে পড়ে আছ, তোমার লজ্জা হওয়া উচিত। তোমার বয়সে আমি প্রতি বছর প্রথম হতাম। 

ছাত্রঃ আপনাকে নিশ্চয়ই ভাল মাস্টার পড়াত।

অজগর


অফিসে দুই সহকর্মীর মধ্যে কথা হচ্ছে। প্রথম সহকর্মী বলছে, ‘বুঝলেন ইদ্রিস সাহেব, বুদ্ধি থাকলে সবই হয়। আমার বুদ্ধি আছে বলেই বড় খরচের হাত থেকে বেঁচে গেলাম।’

দ্বিতীয় সহকর্মী এতক্ষণ কাজে ডুবে থাকলেও যখন খরচ থেকে বেঁচে যাওয়ার কথা শুনল তখন কান খাড়া করল, ‘কী রকম?’

প্রথম সহকর্মী আবার বলতে শুরু করল, ‘সেদিন আমার ছোট ছেলেটা চিড়িয়াখানায় যাওয়ার জন্য বায়না ধরল। অনেক করে বোঝালাম। কিন্তু কে শোনে কার কথা। চিড়িয়াখানায় সে যাবেই। অজগর সে দেখবেই। এরপর আমি বুদ্ধি করে বাড়িতে বসিয়েই অজগর দেখিয়ে দিলাম।’
দ্বিতীয় সহকর্মী বেশ অবাক হলেন, ‘বলেন কী! বাড়িতে অজগর পেলেন কোথায়?’
প্রথম সহকর্মী হাসতে হাসতে বললেন, ‘একটা কেঁচো ধরে আনলাম। তারপর একটা আতশী কাঁচ দিয়ে এই কেঁচোটাই দেখিয়ে বললাম, এই দেখো অজগ
র।’
a