চরম জোকস

এক বুড়া বারে গিয়ে মদ গিলতো। আর
মাতাল হয়ে তার গায়ের চাদর
হারিয়ে আসতো।তাই তার বউ
বুড়াকে খুব ঝাড়তো।
একদিন বুড়া ঠিক
করলো আজকে বারে যাওয়ার
আগে গায়ের সাথে চাদরটা খুব টাইট
করে গিট্টু লাগায় নিবে….তাহলে আর
হারাবে না।
রাতের বেলা হেবি করে মাল টাল
খেয়ে বাসায় বুড়া ফিরলো।।
বুড়িকে ঢলতে ঢলতে বলল,
“দেখেছো..আজকে গায়ের চাদর
ঠিকঠাক আছে….
বুড়ি বলল,”তা ঠিক বলেছো,
..
.
,
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
..
.
..
কিন্তু তোমার লুঙ্গি কই???”

হাসের রচনা

চান্দু একবার
বাংলা পরীক্ষা দিতে গেলো!!
পরীক্ষায় সবই কমন শুধু রচনা বাদে!!
রচনা আসছে হাঁস নিয়ে!! কিন্তু চান্দু
বেচারা তো আর এইটা পড়ে নাই!! তবুও
সে চেষ্টা করলো!! আসুন দেখি তার
চেষ্টাটা কেমন হয়েছিলো!!
হাঁস(যেই প্রাণী সারাক্ষণ প্যাঁকপ্যাঁক
করে আর খায়)
আমি হাঁস পছন্দ করি!! আমার বাসার
সবাইও মনে হয় পছন্দ করে!! যদিও
আমাকে বলে না, কিন্তু আমি বুঝি!!
হাঁস পানিতে থাকে!! আমিও
পানি খাই!! আমার পাশের বাসার
আঙ্কেল মদ খায়!!
মদ খুব খারাপ একটা জিনিস!! এইটা কিন্তু
আমি বলি নাই!!
এইটা জ্ঞানী গুণী লোকেরা বলছে!!
আমার একটা লাঠি আছে!!
লাঠি পানিতে সাতার কাটে হাঁস ও
পানিতে সাতার কাটে!! মনে হয়
তারা আপন ভাইবোন!!
হাঁস পানিতে গোসল করে আমিও
পানিতে গোসল করি!! আমার গোসল
করতে মাত্র পাঁচ মিনিট লাগে কিন্ত
হাঁস সারাদিন লাগিয়ে গোসল করে!!
এই জন্য হাঁস দেখতে এত সাদা!! আর
আমার গাঁয়ের রঙটা একটু ময়লা!!
বেশি না,
সামান্য ময়লা!! আমি হাঁস খুব
ভালোবাসি!! হাঁসও আমাকে খুব
ভালোবাসে!!
একটা কথা বলতে ভুলে গেছি!!
হাঁস দেখতে ঠিক আমার বউয়ের মত!!

উপস্থিত বুদ্ধি উপস্থিত বুদ্ধি

একবার সেনাবাহিনীতে নিয়োগের জন্য আই, এস, এস, বি তে এক পরীক্ষার্থী কে মৌখিক পরিক্ষায় (যেখানে মানসিক শক্তি ও উপস্থিত বুদ্ধির পরিক্ষা নেয়া হয়) সেনা কর্মকর্তা প্রশ্ন করলো, “আচ্ছা আমি যদি তোমার বিবাহিত স্ত্রীর সাথে প্রথম রাত কাটাতে চাই তাহলে তোমার কি কোন আপত্তি আছে??”
পরীক্ষার্থী সাথে সাথে উত্তর দিল, “আপনার যদি আপত্তি না থাকে আমারো কোন আপত্তি নেই।। কারন আমি তো আপনার মেয়েকেই বিয়ে করব!!”

যাদু


* হাসতে হাসতে লুঙ্গি খুলে গেলে কিন্তু
আমি দায়ী না*
$ একবার কালু আর লালু
দুজনে
এক দোকানে গেল…….
দোকানে সবাইকে কাজে ব্যাস্ত
দেখে কালু ৩টে চকলেট
পকেটে পুরে নিলো।
দোকানের
বাইরে এসে…..
কালুঃ দেখলি তো…..আমি ৩টে
চকলেট তুলে নিলাম,
অথচ
কেউ
কিছু বুঝতেই
পারলো না।
তুই কখনই
এটা করতে পারবি না।
এটা শুনে লালু খুব
রেগে গিয়ে
বললঃ চল, আমি এর
থেকে কিছু
বেশি তোকে দেখাচ্ছি।
তারা দুজনে আবার
দোকানে গেল,
এবং লালু
দোকানদারকে বললঃ আঙ্কেল,
আপনি কি একটা জাদু
দেখবেন?
দোকানদারঃ ঠিক
আছে দেখাও।
লালুঃ তাহলে এরজন্য
আমাকে ১টা চকলেট
দিন।
দোকানদার
লালুকে ১টা চকলেট
দিল।
লালু
সেটা খেয়ে নিয়ে আর
১টা চাইলো।
দোকানদার আবার
১টা দিল।
লালু
সেটা খেয়ে নিয়ে আবার
১টা
চকলেট চাইলো।
দোকানদার এবারও
তাকে চকলেট
দিতেই লালু
সেটাও খেয়ে ফেললো।
দোকানদারঃ আরে বাছা,
এতে
তোর জাদুটা কোথায় ??
লালুঃ উং…চুং…মুং. ….
এবার,
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
আমার বন্ধুর পকেট
চেক
করুণ,
আপনার ৩টে চকলেট
ফেরত
পেয়ে যাবেন….।।

হেব্বি মান-সম্মান


১ম বন্ধুঃ তোকে মানা করার পরও তুই পাশের বাড়ীর মুরগী চুরি করলি, এখন যে তোকে জুতো দিয়ে মারা হবে। তোর মান-সম্মান কি আর থাকবে???

২য় বন্ধুঃ ইস!!! আমার মান-সম্মান এত কম নাকি যে জুতো দিয়ে দু'চারটে মারলেই চলে যাবে???

নাতনীর বাসর


নাতিনীর বিয়ে হল । নাতনী যাতে বাসর রাতে ভয় না পায় সেজন্য নানী পাশের ঘরে ঘুমাতে গেলেন।

যথারীতি বাসর রাতে নাতনী ও নাত জামাই ঘরে ঢুকল।
কিছুখন পর ... ... ...
মশারী খাটনোর জন্য নাতনী উঠে দাড়াতেই খাটের স্ট্যান্ডের সাথে প্রচন্ড জোরে মাথায় বাড়ি খেয়ে নাতনী বলে উটল ... ... ওও মাথা গেল রে ... ... ...

তখন পাশের রুম থেকে নানী বলে উঠল আল্লাহ আল্লাহ কর। মাথা যখন গেছে বাকিটাও যাবে।

হাঁপানি


বাংলা ক্লাসে শিক্ষক এক ছাত্রকে দাঁড় করিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন- বলতো "ভাতের অভাব" এটা কি হবে?

ছাত্রটি জবাব দিতে না পারায় শিক্ষক তাকে অনেক বেত্রাঘাত করলেন এবং বললেন "ভাতের অভাব - হাভাত"।


অতঃপর বিজ্ঞান ক্লাসে বিজ্ঞানের শিক্ষক ঐ ছাত্রটিকে জিজ্ঞাসা করলেন পানির অভাবে কি হয়?
তখন ঐ ছাত্রটি ঝটপট করে জবাব দিল, স্যার হাঁপানি হয়।

এক ঘুষিতে নাক ফাটিয়ে দেবো


ডাক্তারঃ ভয়ের কিছু নেই। চট করে আপনার দাঁতটা তুলে নিব।
রোগীঃ না না ডাক্তার সাহেব, আমার ভয় করছে। প্লিজ ডাক্তার সাহেব, আমি জন্ত্রনায় মারাই যাব, বড্ড ভয় করছে।
ডাক্তারঃ ঠিক আছে, আপনি খানিকটা ক্যান্ডি খেয়ে নিন। দেখবেন সাহস বেড়ে গেছে।
রোগীঃ ক্যান্ডি খেয়ে নিলো।
ডাক্তারঃ কি এখন সাহস বেড়েছে তো?
রোগীঃ নিশ্চয়ই বেড়েছে, এখন দেখি কোন শালা আমার দাঁত তুলতে আসে? দাতে হাত লাগাবেন তো এক ঘুষিতে নাক ফাটিয়ে দেবো !!!

বিয়েতে যাচ্ছিলাম । শিক্ষক ও ছাত্র - ১০



রাস্তায় দ্রুত গাড়ি চালানোর কারণে এক তরুণকে পুলিশ অফিসার আটক করেছেন। লোকটার শুধু একটাই কথা, ‘আগে আমার কথা তো শুনুন।’

কিন্তু পুলিশ অফিসারও নাছোড়বান্দা। ‘না, কোনো কথাই শুনব না। জেলের বড় কর্তা না আসা পর্যন্ত তোমাকে কিছুতেই ছাড়া যাবে না।’
ঘণ্টাখানেক পর পুলিশ অফিসার ওই তরুণকে বললেন, ‘তুমি আসলে ভাগ্যবান। আজকে আমাদের বড় স্যারের মেয়ের বিয়ে। তাই আজ তিনি যখন অফিসে আসবেন, তখন তাঁর মেজাজ খুবই ঠান্ডা থাকবে।’
এতক্ষণে কথা বলার সুযোগ পেয়েই তরুণ হাউমাউ করে বলে উঠল, ‘বড় কর্তা এলে আপনার খবর আছে। আমিই তাঁর মেয়ের হবু বর! বিয়েতে যাচ্ছিলাম।’






কে কে আমার পেজ এর লেখক হতে চাও এখানে ক্লিক  করো । আর তুমার মতা মত দাও 

শিক্ষক ও ছাত্র - ০৯

যুক্তিবিদ্যার ক্লাস চলছে ­­ 
শিক্ষকঃ আমি টেবিলটা ছুয়েছি, টেবিলটা মাটি ছুঁয়েছে, সুতরাং আমি মাটি ছুঁয়েছি । এভাবে একটা যুক্তি দেখাও তো ­। 
(দুজন ছাত্র হাত তুলল) 
১ম ছাত্রঃ যেমন ধরুন স্যার, আপনি মুরগি খেয়েছেন, মুরগি কেঁচো খেয়েছে, সুতরাং আপনি কেঁচো খেয়েছেন। 
২য় ছাত্রঃ আমি আপনাকে ভালবাসি, আপনি আপনার মেয়েকে ভালবাসেন, সুতরাং আমি আপনার মেয়েকে ভালবাসি। 

শিক্ষক ও ছাত্র - ৮

গরুর রচনা লেখার আগে শিক্ষক অনেক গুলো সূত্র ছাত্রদের বুঝিয়ে বললেন। সবাই তা ঠিকমত বুঝেছে কিনা তা আবার পরখ করে নিচ্ছেন — 

শিক্ষকঃ আচ্ছা তুমি বলতো তোমার পায়ের জুতা কি দিয়ে তৈরী হয় ? 
ছাত্রঃ চামড়া দিয়ে স্যার । 
শিক্ষকঃ চামড়া কোথায় পাওয়া যায় ? 
ছাত্রঃ গরুর গা থেকে । 
শিক্ষকঃ আচ্ছা, এখন বলো দেখি, কোন সে জীব, যে তোমাদের পায়ের জুতো যোগায়, আবার নানা খাবার জিনিস ও সরবরাহ করে ? 
ছাত্রঃ আমার বাবা, স্যার। 

শিক্ষক ও ছাত্র - ৭

শিক্ষকঃ যারা একেবারে নির্বোধ ও গাধা তারা ছাড়া সবাই বসে পড়। 
(সকলে বসে পড়লেও শুধু কিছলু একা দাড়িয়ে আছে ) 
শিক্ষকঃ কিরে কিছলু ক্লাসে তুই একাই তাহলে নির্বোধ ও গাধা ? 
কিছলুঃ না স্যার, আপনি একা দাঁড়িয়ে আছেন, এটা ভাল দেখাচ্ছে না , তাই … 

শিক্ষক ও ছাত্র - ৬

শিক্ষক : মরুভুমির একটা প্রানীর নাম বলো। 
প্রথম ছাত্র : উট। 
শিক্ষক : ঠিক আছে। আরেকজন মরুভুমির আরেকটি প্রানীর নাম বলো। 
দ্বিতীয় ছাত্র : আরেকটি উট। 

শিক্ষক ও ছাত্র -৫



শিক্ষকঃ পরীক্ষায় কখনো নকল কোর না । নকল করতে করতে অভ্যেস হয়ে যাবে। 
ছাত্রঃ না স্যার, আমি চার বছর ধরে সকল পরীক্ষায় নকল করি। কিন্তু এখনো আমার অভ্যাস হয়নি। 

শিক্ষক ও ছাত্র -৪

শিক্ষক : তোকে তো ব্যাকটেরিয়ার চিত্র আঁকতে বলেছিলাম। তুই তো দিলি সাদা কাগজ। কেন? 
ছাত্র : স্যার, আমি তো ব্যাকটেরিয়ার চিত্র এঁকেছি। কিন্তু আপনি তো তা খালি চোখে দেখতে পারবেন না!

শিক্ষক ও ছাত্র -৩

অধ্যাপকঃ আমার হয়তো দেখতে ভুল হয়েছে, কিন্তু মনে হল তুমিই যেন কথা বলছ। 
ছাত্রঃ আপনারই ভুল হয়েছে স্যার, কারণ আমি ঘুমের মধ্যে কথা বলি না। 

শিক্ষক ও ছাত্র -২

ছাত্রঃ স্যার, আমি কেন পরীক্ষা দিয়ে "Unallow" হলাম? 
শিক্ষকঃ এ জন্যেই তুমি "Disallow" হয়েছ। 

শিক্ষকঃ

শিক্ষকঃ বলতো কুকুর মুখের বাইরে জিভটা বের করে রাখে কেন? 
ছাত্রঃ পেছনের লেজটার সঙ্গে ব্যালেন্স রাখতে। 

শিক্ষক ও ছাত্র -১

শিক্ষকঃ আচ্ছা দুধ থেকে ছানা তৈরির একটি সহজ উপায় বল। 
ছাত্রঃ ভীষন সহজ স্যার। গাভীকে তেঁতুল খাওয়ালেই হবে। 

শিক্ষক ও ছাত্র -১

১) শিক্ষকঃ তুমি তিন বছর ধরে একই কাসে পড়ে আছ, তোমার লজ্জা হওয়া উচিত। তোমার বয়সে আমি প্রতি বছর প্রথম হতাম। 

ছাত্রঃ আপনাকে নিশ্চয়ই ভাল মাস্টার পড়াত।

অজগর


অফিসে দুই সহকর্মীর মধ্যে কথা হচ্ছে। প্রথম সহকর্মী বলছে, ‘বুঝলেন ইদ্রিস সাহেব, বুদ্ধি থাকলে সবই হয়। আমার বুদ্ধি আছে বলেই বড় খরচের হাত থেকে বেঁচে গেলাম।’

দ্বিতীয় সহকর্মী এতক্ষণ কাজে ডুবে থাকলেও যখন খরচ থেকে বেঁচে যাওয়ার কথা শুনল তখন কান খাড়া করল, ‘কী রকম?’

প্রথম সহকর্মী আবার বলতে শুরু করল, ‘সেদিন আমার ছোট ছেলেটা চিড়িয়াখানায় যাওয়ার জন্য বায়না ধরল। অনেক করে বোঝালাম। কিন্তু কে শোনে কার কথা। চিড়িয়াখানায় সে যাবেই। অজগর সে দেখবেই। এরপর আমি বুদ্ধি করে বাড়িতে বসিয়েই অজগর দেখিয়ে দিলাম।’
দ্বিতীয় সহকর্মী বেশ অবাক হলেন, ‘বলেন কী! বাড়িতে অজগর পেলেন কোথায়?’
প্রথম সহকর্মী হাসতে হাসতে বললেন, ‘একটা কেঁচো ধরে আনলাম। তারপর একটা আতশী কাঁচ দিয়ে এই কেঁচোটাই দেখিয়ে বললাম, এই দেখো অজগ
র।’

শোধবোধ

একটা মিনিবাসের মধ্যে এক ভদ্রলোক বহু কষ্টে মাথা নিচু করে, ঘাড় গুঁজে দাঁড়িয়ে যাচ্ছিলেন। মিনিবাসের যেমন চরিত্র, উদ্দাম গতিতে কিছুক্ষণ চলার পর আচমকা ব্রেক কষে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। আর সেই দাঁড়ানো ভদ্রলোক টাল সামলাতে না পেরে সামনের সিটের উপর গিয়ে পড়ছেন। ভদ্রলোক যে সিটের উপর বারবার পড়ছিলেন সেই সিটে এক সুন্দরী মহিলা বসা আর পাশে ভদ্রমহিলার স্বামী। ভদ্রমহিলার কোলের উপর বারবার পরপুরুষ এসে পড়ছে, এতে ভদ্রমহিলার কোনও বিকার নেই। কিন্তু ভদ্রমহিলার স্বামী দেবতাটি প্রচণ্ড ক্রুদ্ধ। তিনি চেঁচামেচি, গালিগালাজ শুরু করলেন, "কি বদমায়েশ লোক আপনি মশায়, কি অসভ্য, বারবার আমার বৌয়ের গায়ের উপর পড়ছেন।"


পতনশীল ভদ্রলোকটি কিন্তু এত গালাগালি শুনেও নির্বিকার। এবং যথারীতি বাসের আচমকা থামার পর টাল সামালাতে না পেরে সেই মহিলার কোলের উপর হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। আর স্বামী দেবতাটি আরও তেলে বেগুনে জ্বলে উঠছেন। এর পরও ভদ্রলোক নির্বিকার ভাবে বাইরে তাকিয়ে রইলেন। এর মধ্যে তার গন্তব্য এসে গেছে। 

নামার সময় পকেট থেকে একটা ভিজিটিং কার্ড বের করে উত্তেজিত স্বামী দেবতার হাতে দিয়ে বললেন, "দাদা , নিজের অজান্তে, অনিচ্ছায় এবং বাসের ঝাঁকুনি সামলাতে না পেরে বেশ কয়েকবার আপনার স্ত্রীর গায়ে পড়ে গিয়েছিলাম। আপনি অনেক গালাগালি করেছেন। আপনার মুখ দেখে মনে হচ্ছে আপনি এখনো রেগে আছেন। এখনো যদি আপনার মনে শান্তি না হয়ে থাকে, এই কার্ডে আমার ঠিকানা আছে।"

ভদ্রলোকের এই অনুতাপদগ্ধ আচরণে স্বামী বেচারা একটু বিব্রত বোধ করতে লাগলেন। তিনি একটা ঢোঁক গিলে প্রশ্ন করলেন, "আপনার ভিজিটিং কার্ড আর ঠিকানা নিয়ে আমি কি করব?" 

গমনোদ্যত ভদ্রলোক বাসের সিঁড়িতে পা দিয়ে বললেন, "কি আর করবেন? কোনও রবিবার অথবা ছুটির দিনে দয়া করে একটু সময় বার করে আমার বাড়ীতে আসবেন। আমার স্ত্রীর কোলে আধ ঘণ্টা বসবেন। আমি কিছু মনে করব না। আমি যে আপনার স্ত্রীর কোলের উপর বারবার পড়েছিলাম, সেটা শোধবোধ হয়ে যাবে।"

কোনটা ভালো লাগে?





আমাদের পচাদার বউ পচাদাকে জিজ্ঞেস করলো, "আচ্ছা, তোমাকে একটা প্রশ্ন করছি, সত্যি সত্যি উত্তর দেবে?"



পচাদা বললো, "কোন কথাটা আমি তোমাকে মিথ্যা বলি? পুছো তোমার কোশ্চেন!"

পচাবৌদি বললো, "আচ্ছা, তোমার কোন জিনিসটা সবচেয়ে বেশী ভালো লাগে? আমার সৌন্দর্য্য, না আমার বুদ্ধি?"
পচাদা একটা মুচকি হাসি দিয়ে বললো, "আররে, তোমার এই জোক করার অভ্যেসটাই আমার সবচেয়ে ভালো লাগে!"

আমি এখানে নতুন এসেছি ভাই!


একটা লোক পুরো বেহেড মাতাল হয়ে বার থেকে কোনোমতে টলতে টলতে বেরিয়ে এলো। বাইরে এসেই তার দেখা আরে বেহদ্দ মাতালের সাথে।

প্রথম মাতাল আকাশের দিকে তাকিয়ে দ্বিতীয়জনকে বললো, "ভাই, আকাশে ওটা কি চাঁদ না সূর্য্য?"

দ্বিতী্য মাতাল চোখমুখ কুঁচকে ওপরের দিকে তাকিয়ে বললো, "জানিনা ভাই! আমিও এখানে নূতন এসেছি।"

চাঁদে জল নেই

আমাদের পচাদা গেছে সুলভ শৌচালয়ে। শৌচালয়ের ভিতরে ঢোকার পর পচাদার নজরে পড়লো যে সামনের দেওয়ালে কেউ লিখে গেছে - 

"দুনিয়াটা কোত্থেকে কোথায় চলে গেছে, মানুষ চাঁদে পা রেখেছে, আর তুই ... তুই এখনো এখানেই বসে আছিস?"
কাজকর্ম সেরে বেরিয়ে আসার আগে পচাদা ওই লাইনের ঠিক তলায় লিখে দিয়ে এলো,
"চাঁদে গেছিলাম ভাই, কিন্তু ওখানে জল নেই, তাই এখানেই বসে আছি!"

music


00:00
00:00
00:00


download

video


download










photo

a